রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের মিঠাপুকুর অংশের দমদমা নামক বাজারে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত এক নার্সের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়, স্বামী ও সন্তান আহত। সোমবার(২১শে ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় রংপুরে ফেরার পথে মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দর, দমদমা বাজার, ইসলাম পুরে মোটরসাইকেল স্লিপ করলে এ সড়ক দূর্ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, রংপুরে ফেরার পথে, হঠাৎ মোটরসাইকেল স্লিপ করলে একইদিক থেকে আসা একটি রংপুরগামী বাসের চাপায় মোটরসাইকেলে থাকা স্বামী-স্ত্রী ও সন্তান নাফিসার মধ্যে (রমেক এর নার্স) স্ত্রী হালিমা বেগম ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরন করেন। স্বামী আহত এবং ছোট ৩ বছরের মেয়ে নাফিসা সুস্থ রয়েছে। নিহতের স্বামী উদ্দীপন এনজিও কর্মী (মিজান) ও সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যু স্ত্রী রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র নার্স ছিলেন।

এসময় স্থানিয়রা জানায়, মৃত হালিমা বেগম(২৮) ও তার স্বামী মিজান(৩৫) এর বাড়ি রংপুর পীরগাছা থানার দেউতি ইউনিয়নে। মৃত্য মহিলা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মরত (সিনিয়র নার্স ) ছিলেন তার স্বামী মিজান মিয়া উদ্দীপনা এনজিওতে ( একাউন্টেন ) বৈরাগী গন্জ শাখায় কর্মরত ছিলেন। দূর্ঘটনার সময় অল্পের জন্য রক্ষা পায় তার স্বামী ও সন্তান। কিন্তু মায়ের এমন মৃত্যুতে কান্না থামছেই না ছোট শিশু নাফিসার।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মিঠাপুকুরের বৈরাগীগঞ্জ থেকে রংপুরের উদ্দেশ্যে স্বামীর মোটরসাইকেলযোগে ৩ বছরের কন্যা সন্তান নাফিসা ও স্ত্রী হালিমা খাতুনকে নিয়ে ফিরছিলেন স্বামী মিজানুর রহমান। ফেরার পথে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের দমদমা বাজার এলাকায় চলমান সড়কের কাজের কারণে ইউটার্ন অবস্থায় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যান স্ত্রী হালিমা খাতুন।

এসময় রংপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী নাইট কোচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন হালিমা খাতুন। মিঠাপুকুর থানার ওসি (তদন্ত) জাকির হোসেন বলেন দুর্ঘটনার পর নিহতের মরদেহ পীরগঞ্জ বড়দরগা হাইওয়ে পুলিশ নিয়ে গেছে। আইনগত বিষয়টি তারাই দেখবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.